
চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসন এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি কমাতে বড় ধরনের নিলাম কার্যক্রম শুরু করেছে কাস্টমস হাউস।
চলতি মার্চ মাসে ই-অকশন বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোট ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কাস্টমস জানায়, দুটি ভিন্ন আদেশের আওতায় এই বিশাল পণ্যচালান নিলামে তোলা হচ্ছে। ই-অকশন-২/২০২৬: এই ধাপে ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স ও গাড়ির পার্টস। অন্যদিকে ই-অকশন-৩/২০২৬: স্থায়ী আদেশের আওতায় ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে উঠবে। এসব কন্টেইনারে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর (লিফট), মেটাল স্ক্র্যাপ ও ক্রাফট লাইনার পেপারসহ মূল্যবান সামগ্রী।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। আগ্রহীরা ঘরে বসেই কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে (http://auction.nbr.gov.bd) নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ই-অকশন-২ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চের দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৮ এপ্রিল তারিখ দুপুর ২টায় উন্মুক্ত করা হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস করতে হবে।